এক সময় করোনা থমকে দিয়েছিল উৎসবের যাবতীয় প্রণোচ্ছলতাকে! কারখানার প্রতিটি শ্রমিক কর্মচারীর উষ্ণ হৃদয়ের ছোঁয়ায় যে বিশ্বকর্মা পুজো একসময় ছিল সাবেক এবিএল কারখানার ও উপনগরীর প্রাণ ভোমরা, করোনার ছোবল সেই প্রাণ ভোমরাকেই যেন নির্দয়ভাবে কেড়ে নিয়েছিল। করোনা কালের সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনগুলোকে কাটিয়ে উঠলেও এবিএল কারখানা কাটাতে পারেনি তার আফটার শক। তবে দীর্ঘ সাত বছর পর সেই আফটার শক কাটিয়ে আবার নতুন করে ছন্দে ফিরল দুর্গাপুরের অন্যতম গর্বের এই বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠানটি। শুক্রবার জি-কারখানা বা সাবেক এবিএল কারখানার শ্রমিক কর্মচারীরা প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে পালন করলেন বিশ্বকর্মা পুজো। দেবশিল্পীর আরাধনায় মেতে ওঠা কারখানার শ্রমিক ও অফিসারদের অভিনন্দন জানাতে এদিন কারখানায় হাজির হয়েছিলেন দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। কারখানার বিভিন্ন শপে ঘুরে তিনি কর্মীদের উৎসাহিত করেন। কারখানা কর্তৃপক্ষ বিধায়ককে সংবর্ধনাও জ্ঞাপন করেন। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে চন্দ্রশেখর বাবু বলেন, এই কারখানার সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক সেই শৈশব কাল থেকেই। কারণ এই কারখানার সঙ্গেই ই। মিলেমিশে রয়েছে তাঁর পিতার কর্মজীবনের স্মৃতি। এই কারখানার একজন শ্রমিক হিসেবে তিনি এখানে ঝরিয়েছেন তাঁর রক্ত ও ঘাম। তাই সাবেক এবিএল কারখানার সঙ্গে আজও একাত্মতা অনুভব করেন চন্দ্রশেখর বাবু।কারখানার বিএমএস নেতা তরুণ দাস বলেন, শুধু বিশ্বকর্মা পুজোই নয়,কারখানার বিভিন্ন শপে অনুষ্ঠিত হবে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। তিনি বলেন, বিধায়ক আসায় কারখানার প্রত্যেক শ্রমিক কর্মচারীই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন।
GE-কারখানার বিশ্বকর্মা পুজোয় বিধায়ক চন্দ্রশেখর!
GE-কারখানার বিশ্বকর্মা পুজোয় বিধায়ক চন্দ্রশেখর!
নিউজ১ অডিও ভয়েস: এই খবরটি শুনুন
GE-কারখানার বিশ্বকর্মা পুজোয় বিধায়ক চন্দ্রশেখর! — ছবি: নিউজ১।