ফ্ল্যাট তৈরির জন্য দীর্ঘদিন আগে কেটে রাখা হয়েছিল মাটি। কিন্তু কাজ আর এগোয়নি। সেই অবস্থাতেই পড়ে রয়েছে গোটা প্লট। আর টানা বৃষ্টিতে সেই কাটা মাটিই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল আশপাশের বাসিন্দাদের কাছে। বৃষ্টির জেরে প্লটের পিছনের দিকের মাটি ধসে পড়ায় বিপজ্জনক অবস্থায় চলে এসেছে দু’টি বাড়ি। তার মধ্যে একটি বাড়ি মাটির গাঁথনির। বাড়ির পিছনের অংশ বসে যাওয়ায় আতঙ্কে কার্যত বাড়িছাড়া পরিবার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি প্লট রয়েছে এলাকায়। দীর্ঘদিন আগে ওই জমিতে ফ্ল্যাট তৈরির উদ্দেশ্যে মাটি কেটে নেওয়া হয়। অভিযোগ, মাটি কাটার পর দীর্ঘদিন কেটে রাখা সেই অংশে আর কাজ এগোয়নি। ফলে বর্ষার সময় থেকেই বিপদের আশঙ্কা করছিলেন আশপাশের বাসিন্দারা। শেষ পর্যন্ত টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। বৃষ্টির জল ঢুকে কাটা অংশের পাশের মাটি আলগা হয়ে যায়। এরপরই ধীরে ধীরে পিছনের দিকে মাটি ধসে পড়তে শুরু করে। প্রভাব পড়ে প্লটের পিছনে থাকা দু’টি বাড়িতে। বাড়ির পিছনের মাটি বসে যাওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে দুই পরিবারে। বিশেষ করে মাটির গাঁথনির বাড়িটিকে ঘিরে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। পরিবারের দাবি, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে বাড়িতে থাকা মা এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বাইরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু আচমকা বাড়ি ছাড়তে হওয়ায় ঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও বের করতে পারেননি তাঁরা। চোখের সামনে বাড়ির পিছনের মাটি বসে যেতে দেখে আতঙ্কে কার্যত দিশেহারা পরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির গৃহবধূ কাজল মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা খুব ভয়ের মধ্যে রয়েছি। বাড়ির পিছনের দিকের অংশ বসে গেছে। বিপজ্জনকভাবে প্লটটি কেটে রাখার জন্য এইরকম অবস্থা হয়েছে। এখন আমরা কোথায় যাব, কী করব, খুঁজে পাচ্ছি না।”
এই বিষয়ে স্থানীয় বিধায়ক লক্ষণ চন্দ্র ঘড়ুই জানান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং আমি কমিশনার ও প্রশাসনকে জানিয়েছি, তার বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য.