জিটি রোডে টোটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর থেকেই সমস্যায় পড়েছেন এলাকার টোটো চালকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, টানা ছয়-সাত দিন ধরে টোটো চলাচল বন্ধ থাকায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে রোজগার। ফলে সংসার চালানো থেকে শুরু করে সন্তানদের পড়াশোনা এবং ওষুধের খরচ—সবকিছু নিয়েই সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা।
সতইশা এলাকার টোটো চালকদের বক্তব্য, তাঁরা নিয়ম মেনে শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান চান। নির্দিষ্ট কোনও এলাকার টোটো চালকদের জন্য আলাদা নিয়ম না করে, সর্বত্র একই নিয়ম কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এক টোটো চালকের কথায়,
“আমরা এই এলাকায় থাকি বলে আমাদের কী দোষ? বলা হচ্ছে জিটি রোডে টোটো চালানো যাবে না। কিন্তু আমাদের চলাচলের রাস্তা তো জিটি রোডের দিকেই। নিয়ম হলে সবার জন্য সমান হওয়া উচিত।”
চালকদের আরও দাবি, তাঁরা এখনও কোনও ধর্না বা বড় ধরনের আন্দোলনে যাননি। শান্তিপূর্ণভাবেই সমস্যার সমাধান চান তাঁরা। আগের মতো টোটো চালানোর সুযোগ দিলে পরিবার নিয়ে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারবেন বলে তাঁদের বক্তব্য।
আরেক চালকের অভিযোগ,
“আজ সাত দিন হয়ে গেল গাড়ি বন্ধ। কোনও রোজগার নেই। কারও কাছে ওষুধ কেনার টাকাও নেই। বাচ্চাদের স্কুল, টিউশন—সবকিছুর খরচ রয়েছে। আমরা রোজগার না করলে সংসার চলবে কী করে?”
চালকদের দাবি, অনেকের সন্তান টোটো চালিয়ে উপার্জনের টাকাতেই স্কুলে পড়াশোনা করে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে রোজগার বন্ধ থাকায় সেই খরচ জোগানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
চালকদের বক্তব্য, তাঁরা রাস্তায় নেমে কোনও সংঘাত তৈরি করতে চান না। প্রশাসনের কাছে তাঁদের আবেদন, টোটো চলাচল সংক্রান্ত সমস্যাটি দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হোক।
এখন প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এবং টোটো চালকদের সমস্যার কোনও স্থায়ী সমাধান হয় কি না—সেদিকেই নজর রয়েছে।
G T রোডে টোটোতে নিষেধাজ্ঞা ! সমস্যায় চালকরা !!
G T রোডে টোটোতে নিষেধাজ্ঞা ! সমস্যায় চালকরা !!
নিউজ১ অডিও ভয়েস: এই খবরটি শুনুন
G T রোডে টোটোতে নিষেধাজ্ঞা ! সমস্যায় চালকরা !! — ছবি: নিউজ১।