ফ্রিজ খুলতেই বেরিয়ে এল বস্তা বস্তা বাসি খোয়া আর পনির!
এক-দু'দিন নয়, দিনের পর দিন ফ্রিজে মজুত করে রাখা হয়েছিল এইসব খাদ্যসামগ্রী!
অভিযোগ পেয়ে দুর্গাপুরের মেন গেট এলাকার একটি মিষ্টির দোকানে অভিযান চালায় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।
আর অভিযান চালাতেই সামনে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর ছবি।
দোকানের ফ্রিজ খুলতেই আধিকারিকদের নজরে আসে আট বস্তা খোয়া এবং বিপুল পরিমাণ বাসি পনির।
অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই খাদ্যসামগ্রী ফ্রিজে মজুত করে রাখা হয়েছিল।
খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের দাবি, উদ্ধার হওয়া খোয়া ও পনিরের অবস্থা ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর।
দীর্ঘদিন ধরে সেগুলি সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ।
তবে এখানেই শেষ নয়।
অভিযানের সময় দোকান থেকে উদ্ধার হয় মেয়াদ উত্তীর্ণ রং, বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল এবং ঢাকা কচুরি।
ফলে মিষ্টি তৈরির উপকরণ সংরক্ষণ এবং খাদ্যসামগ্রী রাখার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছিল কি না, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের এক্সিকিউটিভ অফিসার ডাক্তার অনুরাধা বেদ জানান, উদ্ধার হওয়া খোয়ার অবস্থা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে তা ফ্রিজে রাখা হয়েছিল।
অভিযানের পর দোকানের মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পাশাপাশি ভবিষ্যতে এভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণ করা হলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।
খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের বার্তা স্পষ্ট—
খাদ্যসামগ্রী নিয়ে কোনওরকম অনিয়ম বা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন বরদাস্ত করা হবে না।
এখন প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিজে মজুত থাকা এইসব খাদ্যসামগ্রী যদি সাধারণ মানুষের খাবারে ব্যবহার করা হত, তাহলে তার প্রভাব কতটা গুরুতর হতে পারত?