বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুর্গাপুর, পশ্চিমবঙ্গ ৩২°C (মেঘাচ্ছন্ন)
জরুরি খবর
কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭ ঘোষণা — মধ্যবিত্তদের জন্য বড় সুখবর সাতসকালে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় হানা ইডির! চিটফান্ড প্রতারণা মামলায় অন্তত ৬ ঠিকানায় তল্লাশি কেন্দ্রীয় সংস্থার UPI য়ে ২ হাজারের উপরে ব্যবসায়িক লেনদেনে বসল মাশুল! কাদের দিতে হবে? কবে থেকে গুনতে হবে বাড়তি অর্থ? দূর্গাপুজো কমিটি গুলির সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক কোক ওভেন থানার ! নবান্নের নির্দেশে পুলিশে পদোন্নতি ও বড়সড় বদলি!! দুর্গাপূজা উপলক্ষে কাঁকসায় প্রশাসনিক সমন্বয় সভা!!! কলকাতা হাইকোর্টে ঘুষ মামলায় ছ'মাসের জন্য রক্ষাকবচ পেলেন সাংসদ কীর্তি আজাদ!! কুলটিতে দুর্গাপুজো সমন্বয় বৈঠক ও সাইবার সচেতনতায় পুলিশের নির্দেশ! উৎসবী মরশুমে বীরভূম জেলা পুলিশে ঘটানো হল বড়সড় রদবদল!! অটো-টোটোর দৌরাত্ম্য ! প্রশাসনের দ্বারস্থ মিনিবাস মালিকরা!! কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭ ঘোষণা — মধ্যবিত্তদের জন্য বড় সুখবর সাতসকালে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় হানা ইডির! চিটফান্ড প্রতারণা মামলায় অন্তত ৬ ঠিকানায় তল্লাশি কেন্দ্রীয় সংস্থার UPI য়ে ২ হাজারের উপরে ব্যবসায়িক লেনদেনে বসল মাশুল! কাদের দিতে হবে? কবে থেকে গুনতে হবে বাড়তি অর্থ? দূর্গাপুজো কমিটি গুলির সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক কোক ওভেন থানার ! নবান্নের নির্দেশে পুলিশে পদোন্নতি ও বড়সড় বদলি!! দুর্গাপূজা উপলক্ষে কাঁকসায় প্রশাসনিক সমন্বয় সভা!!! কলকাতা হাইকোর্টে ঘুষ মামলায় ছ'মাসের জন্য রক্ষাকবচ পেলেন সাংসদ কীর্তি আজাদ!! কুলটিতে দুর্গাপুজো সমন্বয় বৈঠক ও সাইবার সচেতনতায় পুলিশের নির্দেশ! উৎসবী মরশুমে বীরভূম জেলা পুলিশে ঘটানো হল বড়সড় রদবদল!! অটো-টোটোর দৌরাত্ম্য ! প্রশাসনের দ্বারস্থ মিনিবাস মালিকরা!!
প্রচ্ছদ দৈনিক খবর বিস্তারিত সংবাদ

জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পথে বিধায়ক চন্দ্রশেখর! উচ্ছ্বসিত এলাকার মানুষ!!

জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পথে বিধায়ক চন্দ্রশেখর! উচ্ছ্বসিত এলাকার মানুষ!!

নিউজ১ অডিও ভয়েস: এই খবরটি শুনুন

সাধারণ মানুষকে জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে কোমর বেঁধে আসরে নামলেন খোদ বিধায়ক! শনিবার দুর্গাপুরের কাঁকসা থানার অধীন আড়রা মোড় সংলগ্ন এলাকায় রীতিমতো নানান অত্যাধুনিক মেশিনারি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা জল বের করার উদ্যোগ নিলেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিধানসভা এলাকার মানুষকে সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশে জীবন যাপন করার অধিকার ফিরিয়ে দিতে যে যে পরিষেবার প্রয়োজন সেই সমস্ত অনুষঙ্গ নিয়েই পথে নামলেন চন্দ্রশেখর বাবু। 
বিগত সরকারের আমলে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে জমি দখলের ফলে জল নিকাশি ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে আড়রা বাজার এলাকায়। ফলে পক্ষকাল ব্যাপী ভারী বৃষ্টি না হওয়া সত্ত্বেও এই বাজার এলাকায় দাঁড়িয়ে আছে প্রায় কোমর সমান জল। বিগত সরকারের আমলে এলাকার তৃণমূল নেতারা যে যেভাবে পেরেছেন সেভাবেই দোকান, বাড়ি,অফিস ইত্যাদি করার জন্য বেপরোয়াভাবে জমি দখল করে নিয়েছিলেন। ফলে এলাকার ড্রেনগুলি একপ্রকার অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। এ কারণেই সামান্য বৃষ্টিতেই কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও কোমর সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় এলাকার সাধারণ মানুষকে। শনিবার ঘটনা স্থলে গিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে এই এলাকাকে জল যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করার সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করেন চন্দ্রশেখর বাবু। স্থানীয়দের দাবি,এই এলাকাটি গত  ১৫ দিন যাবত প্রায় নদীর আকার ধারণ করেছিল। কোমর সমান নোংরা জল পেরিয়ে সাধারণ মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছিল। সব থেকে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল রোগী ও তাঁদের পরিবারগুলিকে। এর পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদেরও চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। রাস্তায় কোমর সমান জল জমে থাকার কারণে আড়রা বাজার এলাকায় বহু মানুষের বাড়িতেও ঢুকে পড়েছিল নোংরা জল। খবর পেতেই মানবিক বিধায়ক তড়িঘড়ি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পথে নামেন। জেসিপি মেশিন, ভ্যাকিউম ক্লিনার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি সহযোগে তিনি স্বয়ং এই এলাকার নর্দমাগুলিকে আবর্জনা মুক্ত করার কাজে নেমে পড়েন। চন্দ্রশেখর বাবুর উদ্যোগেই দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা জল দ্রুত সরিয়ে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা শুরু হয়।স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রায় ১৫ দিন ধরেই আড়রা মোড় বাজারে এইরকম নরকতুল্য পরিস্থিতি। হিন্দুস্থান ফার্টিলাইজারের পরিত্যক্ত আবাসন এলাকা থেকে জল নেমে এসে বাজারে জমছে বলে দাবি তাঁদের। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার জানানো সত্ত্বেও স্থায়ী কোন সমাধান হয়নি বলেও অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। জল জমে থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরাই। দোকানের সামনে জল জমে থাকায় ক্রেতাদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। অনেক দোকানের ভিতরেও জল ঢুকে পড়েছে। ফলে বিভিন্ন সামগ্রী নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে জলমগ্ন রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক মানুষ এবং দু’চাকার গাড়ির চালকদের সমস্যা সব চেয়ে বেশি। কোথায় রাস্তা কতটা গভীর, তা বোঝা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছিল। এদিন বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করে বলেন, 'তৃণমূলের আমলে সরকারি জমি দখল করে কেউ অফিস,কেউ আবার দোকান বানিয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে কোথাও কোনও রকম বেআইনি জমি দখল করা তাঁরা বরদাস্ত করবেন না। বিগত সরকারের আমলে যারা বেআইনিভাবে এই এলাকার জমি দখল করে অফিস, দোকান, বাড়ি ইত্যাদি তৈরি করেছেন সেগুলি দ্রুত দখল মুক্ত করে পুরো এলাকা সাধারন মানুষের বাসযোগ্য করে তোলা হবে বলে আশ্বাস দেন চন্দ্রশেখরবাবু। বিধায়কের এই অভূতপূর্ব উদ্যোগ দেখে এলাকাবাসীও আপ্লুত। তাঁরা বলেন, বাম আমল থেকেই কখনো তাঁরা একজন বিধায়ককে এইভাবে রাস্তায় নেমে হাতে-কলমে কাজ করতে দেখেননি। তাই বিধায়কের এই উদ্যোগ দেখে তাঁরা উচ্ছ্বসিত,আপ্লুত। বিধায়কের এই মানবিক প্রয়াসকে অন্তর থেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার প্রত্যেকটি মানুষই।

সম্পর্কিত ট্যাগ: #পশ্চিমবঙ্গ ##দৈনিক খবর

আপনার সংরক্ষিত খবর