বর্ষার প্রকোপ কমেনি, তারই মধ্যে দুর্গাপুরে ডেঙ্গি আক্রান্ত নাবালক!
বর্ষার প্রকোপ এখনও পুরোপুরি কমেনি। তারই মধ্যে দুর্গাপুরে ডেঙ্গি আক্রান্ত এক নাবালককে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
দুর্গাপুরের মেনগেট এলাকায় মামার বাড়িতে থাকা ওই নাবালকের ডেঙ্গি পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ওই নাবালকের কলকাতাতেও যাতায়াত ছিল। সম্প্রতি জ্বর এবং টাইফয়েডের মতো উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাকে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করানো হয়।
দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি ল্যাবে রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরপর রবিবার সন্ধ্যায় দুর্গাপুর নগর নিগমের পক্ষ থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয়—নাবালকের ডেঙ্গি রিপোর্ট পজিটিভ।
রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরেই নাবালককে তাঁর বাবা কলকাতায় নিয়ে চলে যান বলে জানা গিয়েছে।
তবে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—ঠিক কোথা থেকে ডেঙ্গির সংক্রমণ হল?
কলকাতায় যাতায়াতের সময় সংক্রমণ হয়েছে, নাকি দুর্গাপুরে থাকার সময় কোনওভাবে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে—তা এখনও স্পষ্ট নয়। সংক্রমণের সম্ভাব্য উৎস খতিয়ে দেখছে স্বাস্থ্য দফতর।
ঘটনার পরই সতর্ক হয়েছে দুর্গাপুর নগর নিগমের স্বাস্থ্য দফতর। নাবালক যে এলাকায় থাকত, সেখানে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের পাঠানো হয়েছে।
এলাকায় মশার উপদ্রব এবং ডেঙ্গির সম্ভাব্য সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন করা হচ্ছে।
দুর্গাপুর নগর নিগমের স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. দেবব্রত সাহানা জানিয়েছেন, নাবালকের কলকাতায় যাতায়াত ছিল এবং ডেঙ্গি রিপোর্ট পজিটিভ পাওয়ার পর স্বাস্থ্যকর্মীদের এলাকায় পাঠানো হয়েছে।
বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গির এই ঘটনা সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে সতর্কতা। তবে আতঙ্কিত না হয়ে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও জল জমে থাকলে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
দুর্গাপুরে ডেঙ্গি সংক্রমণ রুখতে এখন নজরদারি এবং সচেতনতাই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।